রবিবার, ২৬ Jul ২০২৬, ০৬:২৭ অপরাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
নেপাল ৪০ দেশের আন্তর্জাতিক সম্মেলনে আমন্ত্রিত হলেন ইরফান উদ্দিন ইরো প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে এখনো আওয়ামী লীগ আমলের আধিপাত্য ধরে রেখেছে দোসর ফারুক! জামায়াতে ইসলামী ফেরেশতাদের দল নয়: ডা. শফিকুর রহমান সম্ভাব্য আলোচনায় রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির সিনিয়র ৩ নেতা স্পিকার হাফিজ রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন পদত্যাগপত্রে যা লিখলেন পদত্যাগ করেছেন রাষ্ট্রপতি ইসির আইন-বিধি সংশোধন প্রস্তাব চূড়ান্ত:স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা মামদানি জানালেন নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে আইনি সীমাবদ্ধতার কথা আইনশৃঙ্খলা সভায় আওয়ামী দোসর ফারুক, রাজনৈতিক অঙ্গনে ক্ষোভ

কক্সবাজারের ১২ হাজার একর ভূমি বন বিভাগকে ফিরিয়ে দেওয়া হবে-পরিবেশ ‍উপদেষ্টা

ভয়েস প্রতিবেদক:

আধুনিক নৌ বন্দর স্থাপনে বাঁকখালী নদীতে উচ্ছেদ শীঘ্রই-নৌ-পরিবহন ‍উপদেষ্টা

আধুনিক নৌ বন্দর স্থাপনের লক্ষ্যে খুব দ্রুতই কক্সবাজারের বাঁকখালী নদী থেকে অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করা হবে। আর বিগত সরকারের ‘তথাকথিত’ উন্নয়নের নামে বরাদ্দকৃত কক্সবাজারের ১২ হাজার ভূমি বন বিভাগকে ফেরত দেওয়া হবে। অন্তবর্তী সরকারের দুই উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব:) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন ও সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান কক্সবাজারে বাঁকখালী নদী জবরদখলের সরজমিন চিত্র দেখতে গিয়ে এসব কথা বলেছেন।

কক্সবাজারে ঐতিহ্যবাহী প্রমত্তা বাঁকখালী নদীর দখল নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা সমালোচনার যেন শেষ নেই। দখলবাজদের কবলে পড়ে ঐতিহ্য ও জৌলুস হারিয়েছে নদীটি। বৃহস্পতিবার সকালে সেই দীর্ঘ প্রতিক্ষিত বাঁকখালী নদীর তীর পরিদর্শনে যান অন্তবর্তী সরকারের দুই উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব:) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন ও সৈযদা রিজওয়ানা হাসান। দেখতে পান নদী জবর দখলের করুন চিত্র। কক্সবাজার শহরের কস্তুরাঘাট, পেশকারপাড়া, মাঝিরঘাট থেকে শুরু করে ১০ কিলোমিটারের বেশী নদীর জায়গা দখল করে গত ১৬ বছর ধরে একের পর এক স্থাপনা তৈরী হয়েছে। সম্প্রতি জেলা প্রশাসন একাধিকবার উচ্ছেদ করেও ঠেকাতে পারেনি প্রভাবশালীদের দখল কার্যক্রম। প্রভাবশালীরা নানানভাবে আইনি জঠিলতা তৈরী করে নদীর জমিতে গড়ে তুলেছে অসংখ্য স্থাপনা।

জবরদখরের এসব চিত্র দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেন দুই উপদেষ্টা। নৌ পরিবহন এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা ব্রিগেডিযার জেনারেল (অব:) ড. এম সাখাওযাত হোসেন বলেন, কক্সবাজারে আধুনিক নৌ বন্দর স্থাপনের লক্ষ্যে খুব দ্রুত এসব দখলদারদের উচ্ছেদ করা হবে। নদীর সীমানার মধ্যে কেউ থাকতে পারবেনা।

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রনালয়ের উপদেষ্টা সৈযদা রেজওয়ান হাসান বলেন, কক্সবাজারকে বাঁচাতে হলে সকল অবৈধ দখল ও দুষণ মুক্ত করতে হবে। দেশের বিদ্যমান আইনের তোয়াক্কা না করে এক শ্রেণির দখলবাজ দেশের সমুদ্র নদী, খাল দখলে মেতে উঠেছে। যতদিন সময় পাওয়া যায় সেই সময়ের মধ্যে কক্সবাজারের বাকঁখালী নদী ও আলোচিত একান্ন একর শীঘ্রই দখল মুক্ত করা হবে। বন বিভাগকে ফিরিয়ে দেওয়া হবে ১২ হাজার একর জমি।

এদিকে সকাল ১১ টার দিকে নুনিয়াছড়াস্থ ‘বিআইডাব্লিউটিএ’ ঘাট থেকে কক্সবাজার মহেশখালী নৌরুটে যাত্রী পারাপারের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে সী ট্রাক উদ্বোধন করেন নৌপরিবহন উপদেষ্টা।

ভয়েস/আআ

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION